ভারতের নাগরিক ও বর্তমানে দুবাইভিত্তিক বিশ্বের অন্যতম মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ
আজ রোববার ধানমন্ডির দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন
বিএনপির মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রতিবাদে ডাকা এ সংবাদ সম্মেলনে হানিফ বলেন সবাই জানেন দাউদ ইব্রাহিমের মেয়ের বিয়েতে মূল্যবান হীরা উপহার দিয়েছিলেন তারেক রহমান
তারেক রহমানকে নিয়ে আওয়ামী লীগ শঙ্কিত—খোন্দকার দেলোয়ারের এমন মন্তব্যের জবাবে হানিফ বলেন যিনি ঠান্ডা মাথায় মানুষ হত্যা করতে পারেন তাঁকে তো জনগণ ভয় পাবেই
আসলেই জনগণ এ হিংস্র মানুষটির কার্যকলাপে শঙ্কিত
তারেক রহমান রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে বিদেশ থেকে ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা করছেন বলে জানান আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক
বাকশাল সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে মাহবুবুল আলম জানান বাকশাল-যুগে ফিরে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা আওয়ামী লীগের নেই
তিনি বলেন তবে এখনো আমরা বাকশালের আদর্শ হূদয়ে ধারণ করে চলেছি
কারণ বাকশাল ছিল জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য যুগান্তকারী পদক্ষেপ
ইউএনবি
সার্ক গণতন্ত্র সনদের খসড়া চূড়ান্ত
দক্ষিণ এশিয়ায় গণতন্ত্র সুসংহত করার প্রয়াসে প্রণীত গণতন্ত্র সনদের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে
আজ রোববার ঢাকায় অনুষ্ঠিত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দুই দিনের বৈঠকে বাংলাদেশের তৈরি খসড়াটি চূড়ান্ত করা হয়েছে
বৈঠক শেষে পররাষ্ট্রসচিব মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস বলেন জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে গণতন্ত্র শক্তিশালী করার বিষয়ে সার্কের চেতনাকে গণতন্ত্রের এ সনদ সমুন্নত রাখবে
সনদে শুধু গণতন্ত্রের মূল্যবোধের কথাই বলা হয়নি গণতন্ত্রের প্রসার ও সংরক্ষণের লক্ষ্যে সদস্য দেশগুলো যাতে এগিয়ে যেতে পারে সে নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে
পররাষ্ট্রসচিব জানান আগামী ডিসেম্বরে সার্ক পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে সনদটি অনুমোদন পাবে
এরপর আগামী বছর সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে এ অঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের চূড়ান্ত সম্মতির পর এটি কার্যকর হবে
উল্লেখ্য ভূটানের থিম্পুতে গত ২৮ ও ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ষোড়শ সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়
সম্মেলনের শেষে বাংলাদেশকে গণতন্ত্র সনদের খসড়া তৈরির পাশাপাশি বিষয়টি চূড়ান্ত করতে বৈঠক আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়
ইংল্যান্ডকে ১২৭ রানের টার্গেট দিয়েছে পাকিস্তান
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ১২৭ রানের টার্গেট দিয়েছে পাকিস্তান
টসে জিতে প্রথমে পাকিস্তানকে ব্যাট করতে পাঠান ইংল্যান্ড অধিনায়ক পল কলিংউড
শুরুর দিকে বেশ দ্রুতগতিতেই রান সংগ্রহ করছিলেন পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানরা
কিন্তু ৯ ওভারের মধ্যে কামরান আকমল মোহাম্মদ ইউসুফ ও শাহজিব হাসান ফিরে যাওয়ার পর রানের গতি কিছুটা কমে যায়
শেষ পর্যন্ত উমর আকমলের ৩৫ রানের সুবাদে ৪ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রান করে পাকিস্তান
২টি উইকেট নিয়েছেন গ্রায়েম সোয়ান
এখন ১২৭ রানের লক্ষ্য ব্যাট করছে ইংল্যান্ড
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাদের সংগ্রহ ৪ ওভারে ১ উইকেটে ৩০ রান
স্টিভ ১০ বলে ১৫ ও বোপোরা ৭ বলে ৮ রান নিয়ে ব্যাট করছেন
ওয়েবসাইট
আজ চলে যাচ্ছেন শাবানা
যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বামী ওয়াহিদ সাদিক ও ছেলে নাহিনকে নিয়ে ওমরাহ করতে গিয়েছিলেন সৌদি আরব
সেখান থেকে হঠাৎ এক সপ্তাহের জন্য দেশে আসেন বাংলা চলচ্চিত্রের চিরসবুজ নায়িকা শাবানা
আজ রোববার রাতে ছেলে নাহিনসহ আবার ফিরে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে
তবে তাঁর স্বামী ওয়াহিদ সাদিক দেশে কিছুদিন থাকবেন
এদিকে গত বৃহস্পতিবার তিনি ফ্যাশন হাউস ভাসাবির পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে অংশ নেন
প্রসঙ্গত বাংলা চলচ্চিত্রে প্রচণ্ড প্রতাপ নিয়ে কাজ করেছেন শাবানা
৯৭ সালে শাবানা হঠাৎ চলচ্চিত্র-অঙ্গন থেকে বিদায় নেওয়ার ঘোষণা দেন
এরপর তিনি আর নতুন কোনো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেননি
২০০০ সালে শাবানা সপরিবারে চলে যান আমেরিকায়
প্রিয়র প্রিয়
ঈদের বিশেষ আয়োজন
আমাদের অনেকেরই প্রিয় ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা সাকিব আল হাসান কিংবা মোহাম্মদ আশরাফুল
তাঁদের প্রিয় ক্রিকেটার কারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জায়গায় নিজেদের পছন্দের কথা বলেছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা
মাশরাফি আশরাফুল সাকিবরা নিজেরাই এবার পাঠকদের শোনাচ্ছেন তাঁদের প্রিয় ক্রিকেটারের গল্প

ছোটবেলার সেই ভালোবাসা
মোহাম্মদ আশরাফুল
প্রিয় শচীন টেন্ডুলকার
যেভাবে প্রিয় শচীন টেন্ডুলকার আমাদের প্রজন্মের কাছে কেন প্রিয় সেটা বোধহয় ব্যাখ্যা করার দরকার নেই
আমরা টেন্ডুলকারের খেলা দেখে বড় হয়েছি এখনো তার খেলা দেখে শিখছি
একটা লোক বিশ বছর ধরে দুনিয়া শাসন করছে এরপর আর কী লাগে! তবে আমার শচীন-ভক্ত হওয়ার একটা কারণ বোধহয় ওর সাইজ! আমার মতোই ছোটখাটো তো! হা হা হা
প্রথম দেখা ১৯৯৮ সালে
ঢাকায় মিনি বিশ্বকাপ খেলতে এসেছিল
আমি তখন বলবয়
আমার কাছে টেন্ডুলকার তখন ভিনগ্রহের মানুষ
ওর কাছে গিয়ে দাঁড়াতে পেরেছি ছবি তুলতে পেরেছি এই স্মৃতি সারা জীবন সঙ্গে থাকবে
এখন যেমন আমি জাতীয় দলের হয়ে খেলা শুরু করার পর টেন্ডুলকারের সঙ্গে দারুণ একটা সম্পর্ক হয়ে গেছে
২০০৫ সাল থেকে আমাদের মধ্যে ভালো একটা সম্পর্ক হয়ে গেছে বলা যায়
সর্বশেষ বাংলাদেশ সফরে এসে আমার বাসায়ও এসেছিল
ও কেন যেন আমার ব্যাটিংটা খুব পছন্দ করে
ব্যাটিং নিয়ে প্রচুর কথা তো বলেই
সব সময় লোকটা পজিটিভ
নেতিবাচক কোনো কথা ওর মুখে শোনা যায় না

প্রিয় ক্রিকেটার প্রিয় বন্ধু
মাশরাফি বিন মুর্তজা
প্রিয় যুবরাজ সিং
যেভাবে প্রিয় শুধু ব্যাটিংয়ের কথা বললে হয়তো অন্য কাউকে বেছে নেব বোলিংয়ের বিবেচনায় হয়তো আর কারও কথা বলা
কিন্তু ক্রিকেটার হিসেবে মানুষ হিসেবে যখন থেকে যুবরাজকে দেখছি ওকেই পছন্দ আমার
অভিষেকের সময় থেকেই ওকে অসাধারণ লাগে
তবে বেশি ভালো লাগা শুরু হয়েছে ওর সঙ্গে একটা সম্পর্ক তৈরি হয়ে যাওয়ার পর
প্রথম দেখা ২০০৭ সালে বেঙ্গালুরুতে
আমি আর যুবরাজ দুজনই এশিয়া একাদশের হয়ে খেলছিলাম আফ্রিকা একাদশের বিপক্ষে
সেই প্রথম সামনাসামনি পরিচয়
দেখা গেল আমি ওকে যেমন পছন্দ করি যুবরাজও আমাকে আগে থেকেই বেশ পছন্দ করে
দুজনের একটা বন্ধুত্বই শুরু হয়ে গেল তখন থেকে
এখন যেমন এখন তো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আমার যারা ভালো বন্ধু ও তাদের ভেতরে একজন
ফোনে কথাবার্তা হয়
এই সেদিন ওর ডেঙ্গু হলেও কথা হয়েছে
ও ফোন করে আমিও করি
আমাকে ওর আইপিএল দলে নেওয়ার অনেক চেষ্টা করেছিল
শেষ পর্যন্ত নিলামে সেটা না হওয়ায় দুজনই কষ্ট পেয়েছি

তার সবই বিস্ময়কর
আফতাব আহমেদ
প্রিয় শচীন টেন্ডুলকার
যেভাবে প্রিয় অনেক আগে থেকেই টেলিভিশনে ওর খেলা দেখে ভালো লাগত
ঠিক কবে কীভাবে শচীনের ভক্ত হয়ে গেলাম মনে নেই
তবে সম্ভবত ১৯৯৯ বিশ্বকাপে ওর খেলা দেখে বেশি ভক্ত হয়ে গিয়েছিলাম
সেই যে বাবা মারা গেল দেশে গেল ফিরেই সেঞ্চুরি করল! বিস্ময়কর না! আসলে শচীন যা করে সবই তো বিস্ময়কর
প্রথম দেখা ২০০৭ সালে যখন বাংলাদেশে এল তখন প্রথম দেখা হয়েছিল
ওর হোটেল রুমে গিয়েছিলাম
মূলত ওর ধারাবাহিকতা আর এত দিন ফর্ম ধরে রাখার রহস্য নিয়ে কথা বলেছিলাম
কিছু ব্যাটিং টিপসও দিয়েছিল
এখন যেমন সর্বশেষ ঢাকায় এসে আমাদের ড্রেসিং রুমে এসেছিল
ওখানে সবার উদ্দেশেই কিছু কথা বলেছিল
ওর সঙ্গে আমার খেলার বাইরে তেমন যোগাযোগ নেই
তবে এরপর যদি কখনো কাছাকাছি পাই ব্যাটিং নিয়ে আরও কিছু কথা বলার ইচ্ছে আছে
কিছু প্রশ্ন আছে
